|
সুন্দরবন- অপার সৌন্দর্যের হাতছানি |
|
|
|
লিখেছেন লিটন বাশার
|
|
Sunday, 11 February 2007 |
|
পাতা 1 মোট 6 বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন - সুন্দরবন। বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিবঙ্গের অংশবিশেষ নিয়ে সুন্দরবনের বিস্তার। এ বনেই বাস করে ভূবন-বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। সুন্দরবনের অপার সৌন্দর্য হাতছানি দেয় দেশী-বিদেশী নানা রঙের মানুষকে। চিত্রল হরিণ, সুন্দরী গাছ, জলের কুমির আর নানা জাতের মাছ, গাছে গাছে শত শত প্রজাতির রং-বেরঙের পাখিই এই আকর্ষণের মূল কারণ। বনভূমি ও বন্য প্রাণী দেখতে প্রতিনিয়ত সুন্দরবনে ভিড় করছে পর্যটকরা।  Boat ride in the Sundarbans. Photo Asif Ali, http://flickr.com/photos/a-s-i-f/ প্রকৃতির অপরূপ অনাবিল সৌন্দর্যমন্ডিত রহস্যঘেরা এ বনভূমি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হলেও সেখানে নেই পর্যাপ্ত পর্যটন সুবিধা। সুন্দরবন বিশ্বখ্যাতি অর্জন করেছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিত্রল হরিণের জন্য। কিন্তু বর্তমানে সেখানে বানর, কুমির, হাঙ্গর, ডলফিন, অজগর ও বন মোরগ ছাড়াও রয়েছে ৩৩০ প্রজাতির গাছ, ২৭০ প্রজাতির পাখি, ১৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪২ প্রজাতির বন্য প্রাণী ও ৩২ প্রজাতির চিংড়িসহ ২১০ প্রজাতির মাছ। এসব বন্য প্রাণী ও সুন্দরবনের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা প্রতিনিয়ত সেখানে ছুটে যাচ্ছেন। পর্যটকদের কাছে সুন্দরবনকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলা এবং পর্যটন সুবিধা বৃদ্ধির জন্য সরকার কিংবা বনবিভাগ তেমন কোন উদ্যোগ নেয়নি। ফলে দেশের বৃহত্তর পর্যটন শিল্পটি উপেক্ষিত থেকে গেছে। পর্যটকরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে সুন্দরবন থেকে।
যেভাবে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে হয়
খুলনা কিংবা মংলা থেকে নৌ পথে সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে প্রবেশ করা যায়। মংলার অদূরেই ঢাইনমারীতে রয়েছে বন বিভাগের কার্যালয়। সেখান থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের আনুষাঙ্গিকতা সারতে হয়। পর্যটকদের জনপ্রতি ৫০ টাকা, বিদেশী পর্যটকদের জন্য ৭০০ টাকা, প্রতি লঞ্চ ২৫শ' টাকা ও ছোট লঞ্চের জন্য প্রবেশ ফি কম রয়েছে। পর্যটকদের সাথে ভিডিও ক্যামেরা থাকলে অতিরিক্ত একশ' টাকা বন বিভাগকে দিতে হয়। এসব ঝামেলা পর্যটকদের পোহাতে হয় না। ট্যুরিজম লিমিটেডের লোকজনই আনুষঙ্গিকতা সেরে নেবে। ট্যুরিজম কর্তৃপক্ষকে শুধুমাত্র নির্ধারিত ৩/৫ হাজার টাকা পরিশোধ করলেই তিন রাত দু'দিন সুন্দরবনে ভ্রমণ ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিবে তারা।
|
|
সর্বশেষ আপডেট ( Sunday, 25 February 2007 )
|