| সুন্দরবন- অপার সৌন্দর্যের হাতছানি |
|
|
| লিখেছেন লিটন বাশার | ||||||||
| Sunday, 11 February 2007 | ||||||||
পাতা 5 মোট 6 সুন্দরবনে পর্যটন সুবিধা নেই ![]() Photo Asif Ali, http://flickr.com/photos/a-s-i-f/ ট্যুরিজম মালিকদের অভিযোগ সুন্দরবনের পর্যটন সুবিধা নেই বলে ট্যুরিজম মালিকদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ। সুন্দরবনকে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে ট্যুরিজম মালিকরা। তাদের অভিযোগ বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পর্যটনের ব্যাপারে তেমন কোন আগ্রহ নেই। পর্যটকরা সুন্দরবনে না গেলে তাদের গাছ কাটা ও মাছ ধরা কিংবা মধু সংগ্রহ করতে সুবিধা হয়। পর্যটকদের সামনে তারা হরিণ শিকার করতে পারেন না। তাই পর্যটকরা যাতে সুন্দরবনে না যায় সে রকমই মনোভাব থাকে বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। বনকর্মীদের বক্তব্য বন বিভাগের লোকজন পর্যটকদের এ ধরনের বক্তব্য উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, চাকরির পরে তাদেরকে সুন্দরবনে বদলি করা হলেও থাকা-খাওয়ার কোন ব্যবস্থা বনে নেই। জেলেদের মাধ্যমে স্থল পথ থেকে নেয়া খাবার খেয়ে তারা সুন্দরবনে বেঁচে থাকেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া হলে জেলেরা নির্ধারিত সময় সুন্দরবনে না গেলে তাদেরকে না খেয়ে থাকতে হয়। বৃহত্তর এ বনাঞ্চলকে রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত লোকবল কিংবা নৌযান নেই। বিট অফিসের ৫ কিলোমিটার দূর থেকেও গাছ কেটে নিলে বন রক্ষিদের করার কিছু থাকে না। কারণ নদী পাড় হয়ে তাদের সেখানে যাওয়ার উপায় থাকে না। তাদের কাছে অস্ত্র থাকলেও গুলি করার অনুমতি নেই। তাই তারা অস্ত্র রক্ষার জন্যই বনদস্যুদের ভয়ে উৎকণ্ঠিত থাকেন। বনকর্মীরা জানায়, তাদের চেয়ে বনদস্যুদের কাছে শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে। বনদস্যুদের হাতে লোক মারা গেলে তেমন ঝামেলা নেই। কিন্তু তাদের গুলিতে বনদস্যু মারা গেলেও পরবর্তীতে সে জেলে হয়ে যায়। বনদস্যুরা নিজেদের জেলে পরিচয় দিয়ে বন বিভাগ থেকে পাস সংগ্রহ করে বনে প্রবেশ করে কাঠ পাচার করে। |
||||||||
| সর্বশেষ আপডেট ( Sunday, 25 February 2007 ) | ||||||||
| < পূর্বে | পরে > |
|---|