|
সুন্দরবন- অপার সৌন্দর্যের হাতছানি |
|
|
|
লিখেছেন লিটন বাশার
|
|
Sunday, 11 February 2007 |
|
পাতা 4 মোট 6 রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ
সুন্দরবনে অস্থায়ী ঘর তৈরী ও মৎস্য শিকারের জন্য প্রতি পদে পদে টাকা দিতে হয় বন বিভাগকে। পুরো টাকা আবার সরকারী কোষাগারে জমা হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। সুন্দরবনে মৎস্য শিকারের জন্য বরিয়ালীদের প্রতি সপ্তাহে ৭ টাকা করে বন বিভাগকে দিতে হয়। নৌকা প্রতি ২৫ টাকা। যারা ঘাঁটি গেড়ে মৎস্য শিকার করেন তাদেরকে ৫ মাসের জন্য জমা দিতে হয় মোট ৪০ টাকা। বন বিভাগের গাছ কর্তনের জন্য নিয়মানুযায়ী টাকা পরিশোধ করতে হয়। সেখানে ৫ মাসের জন্য অস্থায়ী দোকান কিংবা যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য বন বিভাগকে নির্ধারিত টাকা দিতে হয়। ঐ টাকার একতৃতীয়াংশের রশিদ ধরিয়ে দেয়া হয় আগতদের। বাকী টাকা বন বিভাগের লোকজনই হজম করেন।
অভয়ারণ্য
কটকাসহ সুন্দরবনের বেশ কিছু এলাকাকে সরকারীভাবে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকায় বন্য প্রাণী শিকার নিষিদ্ধ। বাগেরহাট জেলার মধ্যে মূলতঃ শরণখোলা ও চানপাই রেঞ্জ থেকে সুন্দরবনকে নিয়ন্ত্রণ করে বন বিভাগ। কিন্তু বন কর্মীদের থাকা-খাওয়ার জন্য সুন্দরবনে পর্যাপ্ত সুবিধা নেই। ফলে বন বিভাগের অধিকাংশ লোকরাই সুন্দরবনে থাকেন না। মাঝে মধ্যে কর্মস্থলে গিয়ে হাজিরা দিয়ে আসেন। কটকায় গিয়ে দেখা গেছে সেখানের বিট অফিসার অনুপস্থিত। ফরেস্ট গার্ড পরিমল দাস জানান, ঐ বিটের অধীনে ৯ জন রয়েছে। এর মধ্যে রেঞ্জার ও তিনি বাদে একজন বনরক্ষি, সামাজিক বনায়ন রক্ষায় একজন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে দু'জন ও ৩ জন বোটম্যান রয়েছে। ফরেস্ট গার্ড শফিকুল আলম ও বোটম্যান আবু তালেব জানান, তাদের থাকা-খাওয়ার জন্য সেখানে কোন ব্যবস্থা নেই। বন বিভাগের একটি রেষ্ট হাউসের বাইরে যে দু'টি ঘর ছিল তা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্মাণ করা ৫টি ঘরের মধ্যে দু'টি ঘরে বন বিভাগের লোকজন বসবাস করেন। সেখানে তারা থাকা-খাওয়া ও অফিসের কাজকর্ম সারেন। পরিবেশ অধিদপ্তর কটকাসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন চরে ঘর নির্মাণ করলেও সেখানে এখন কেউ থাকেন না। স্থানীয়রা জানান, পরিবেশ অধিদপ্তর বেতন বন্ধ করে দেয়ায় তাদের কর্মীরা দু'বছর পূর্বে সুন্দরবন ছাড়েন।
|
|
সর্বশেষ আপডেট ( Sunday, 25 February 2007 )
|