• Narrow screen resolution
  • Wide screen resolution
  • Auto width resolution
  • Increase font size
  • Decrease font size
  • Default font size
Member Area

নিসর্গ : বাংলার প্রকৃতি | Nishorga : Bangladesh Nature & Environment

Monday
Oct 06th
হোম arrow ভ্রমণ arrow হিচ হাইকিং
হিচ হাইকিং প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন Muntasir Mamun   
Monday, 25 December 2006
আর্টিকেল সূচি
হিচ হাইকিং
অসাধারণ ল্যান্ডস্কেপ
বড ডিলে এলাম
খাওয়ার আয়োজন

ঘটনার শুরুটা বেশ আগেই হয়েছিল, ২০০৪ এর ডিসেম্বর৷ সেবার ঢাকা থেকে নৌকা নিয়ে আমরা গিয়েছিলাম প্রবাল দ্বীপ সেইন্ট মার্টিন্স-এ৷ সুনামী আক্রান্ত ১৩দিনের লম্বা সফরের অংশ হিসেবে কক্সবাজার থেকে যখন শেষ রাতে যাত্রা শুরু করেছিলাম তখন অন্ধকারে আমাদের নৌকা "দৈজ্যা গরম" এর গলুই অবদি দেখা যায় না৷ সূর্য ওঠার সাথে সাথে মনে হলো নীল সাগরের চলার পথ হঠাত্‍ করেই থামিয়ে দিয়েছে উত্তর-দক্ষিণে অবস্থিত অনাবিল টিলা গুলো৷

Image
On the way to Inani beach
সাদা বালির সৈকতে আছড়ে পড়া নীল পানি কক্সবাজারের মতো ছিল না মোটেও৷ আর যখন ইনানির কাছাকাছি তখন ডলফিন আমাদের নৌকার সামনে৷ প্রথমটায় বিশ্বাস করাটা একটু কঠিন তবে সত্যি যে সে অঞ্চলে ডলফিনের সাথে দেখা মেলে বিশদাকার কচ্ছপও৷ সেবার তীরকে দেখতে পেয়েছিলাম দু'কিলোমিটার দূর থেকে৷ তাই দীর্ঘতম এই সৈকতে দু'পা মাড়িয়ে দেয়ার অদম্য ইচ্ছাটা চাপা পড়েছিল অনেক দিন৷ সুযোগটা হাতে এল এবার, কুরবানির ঈদ এবং ছুটি৷

দলে আমরা নানান বয়সী আট জন৷ সবারই পরিচয় অনেক আগে ধানমন্ডি গভ: বয়েজ হাই স্কুলে স্কাউটিং করার মাধ্যমে আর এখন কেওক্রাদং নামের আমাদের ব্যাকপ্যাকার কমিউনিটির সদস্য৷ আর তাই ভ্রমণ পরিকল্পনা করার সময় খুব বেশি একটা চিন্তা ভাবনা করার প্রয়োজন হয়নি৷ আমাদের উদ্দেশ্য ছিল পুরো কূল জুরে সাধারণ পর্যটনের সম্ভবনা যাচাই আর তাতে কি কি সুবিধা যোগ করতে পারলে পুরো পরিবার নিয়ে এই পথেও যে বেড়াতে আসা যায় তা দেখা৷

তবে একটু-আকটু এডভেঞ্চার না থাকলে কেমন হয়৷ তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঈদের দিন রাতের বাসে করে সরাসরি কক্সবাজারের পথে৷ রাতে ঘন কুয়াশায় এতই খারাপ অবস্থা হয়েছি যে আমাদের সকালের দিকে বেশ খানিকটা সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল৷ সেকারেণই দুই ঘন্টা পিছিয়ে পড়েছিলাম মূল পরিকল্পনা থেকে৷ টেকনাফ বাস ষ্ট্যান্ডে পৌঁছলাম সকাল ৯টায়৷ তৎক্ষণাত ৯ টা ৩০ এর বাসে বসে গেলাম৷

ঘন্টা তিনেক পর টেকনাফে৷ গতরাত থেকে ভারি কিছু যায়নি পেটে। আবার কোরবানী ঈদের পর দিন, তাই হোটেল গুলো সব শীতনিদ্রায়৷ অনেক খুঁজে পেতে ছোট হোটেলটাতে কোনও মতো সবাই এক সাথে দুপুরের খাবার সেরে নিলাম৷ এবার শুরু হলো মূল যাত্রা৷ রিকশা যোগে টেকনাফ 'বিচরোড' এ৷ সময় লাগে ২০ মিনিটের মতো৷ ভাল লাগবে৷ গ্রামের মাঝ দিয়ে কখনও মসৃন-কখনও এবড়োথেবড়ো পথেই চলে যাওয়া যাবে বিচরোডে৷ এর পর আর রিকশা চলে না৷ এই বিচরোড মূলত ভাটার সময় মসৃন বালির যে শক্ত আবরণ থাকে তাতেই চলে চাদের গাড়ি৷ ছাড়ে টেকনাফে যে জায়গাতে জেটি হচ্ছে সেখান থেকে৷ তবে আমাদের প্রথম দিনে ইচ্ছা ছিল ২০ কিলোমিটারের মত হাঁটা৷ প্রথম দিনের গন্তব্য 'বড় ঢিল' (স্থানীয়রা বলে বড্ ডিল)৷ হাঁটা যখন শুরু করলাম তখন প্রায় বেলা দু'টা৷


সর্বশেষ আপডেট ( Sunday, 25 February 2007 )
 
< পূর্বে