| হিচ হাইকিং |
|
|
| লিখেছেন Muntasir Mamun | ||||||
| Monday, 25 December 2006 | ||||||
পাতা 1 মোট 4 ঘটনার শুরুটা বেশ আগেই হয়েছিল, ২০০৪ এর ডিসেম্বর৷ সেবার ঢাকা থেকে নৌকা নিয়ে আমরা গিয়েছিলাম প্রবাল দ্বীপ সেইন্ট মার্টিন্স-এ৷ সুনামী আক্রান্ত ১৩দিনের লম্বা সফরের অংশ হিসেবে কক্সবাজার থেকে যখন শেষ রাতে যাত্রা শুরু করেছিলাম তখন অন্ধকারে আমাদের নৌকা "দৈজ্যা গরম" এর গলুই অবদি দেখা যায় না৷ সূর্য ওঠার সাথে সাথে মনে হলো নীল সাগরের চলার পথ হঠাত্ করেই থামিয়ে দিয়েছে উত্তর-দক্ষিণে অবস্থিত অনাবিল টিলা গুলো৷ ![]() On the way to Inani beach দলে আমরা নানান বয়সী আট জন৷ সবারই পরিচয় অনেক আগে ধানমন্ডি গভ: বয়েজ হাই স্কুলে স্কাউটিং করার মাধ্যমে আর এখন কেওক্রাদং নামের আমাদের ব্যাকপ্যাকার কমিউনিটির সদস্য৷ আর তাই ভ্রমণ পরিকল্পনা করার সময় খুব বেশি একটা চিন্তা ভাবনা করার প্রয়োজন হয়নি৷ আমাদের উদ্দেশ্য ছিল পুরো কূল জুরে সাধারণ পর্যটনের সম্ভবনা যাচাই আর তাতে কি কি সুবিধা যোগ করতে পারলে পুরো পরিবার নিয়ে এই পথেও যে বেড়াতে আসা যায় তা দেখা৷ তবে একটু-আকটু এডভেঞ্চার না থাকলে কেমন হয়৷ তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঈদের দিন রাতের বাসে করে সরাসরি কক্সবাজারের পথে৷ রাতে ঘন কুয়াশায় এতই খারাপ অবস্থা হয়েছি যে আমাদের সকালের দিকে বেশ খানিকটা সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল৷ সেকারেণই দুই ঘন্টা পিছিয়ে পড়েছিলাম মূল পরিকল্পনা থেকে৷ টেকনাফ বাস ষ্ট্যান্ডে পৌঁছলাম সকাল ৯টায়৷ তৎক্ষণাত ৯ টা ৩০ এর বাসে বসে গেলাম৷ ঘন্টা তিনেক পর টেকনাফে৷ গতরাত থেকে ভারি কিছু যায়নি পেটে। আবার কোরবানী ঈদের পর দিন, তাই হোটেল গুলো সব শীতনিদ্রায়৷ অনেক খুঁজে পেতে ছোট হোটেলটাতে কোনও মতো সবাই এক সাথে দুপুরের খাবার সেরে নিলাম৷ এবার শুরু হলো মূল যাত্রা৷ রিকশা যোগে টেকনাফ 'বিচরোড' এ৷ সময় লাগে ২০ মিনিটের মতো৷ ভাল লাগবে৷ গ্রামের মাঝ দিয়ে কখনও মসৃন-কখনও এবড়োথেবড়ো পথেই চলে যাওয়া যাবে বিচরোডে৷ এর পর আর রিকশা চলে না৷ এই বিচরোড মূলত ভাটার সময় মসৃন বালির যে শক্ত আবরণ থাকে তাতেই চলে চাদের গাড়ি৷ ছাড়ে টেকনাফে যে জায়গাতে জেটি হচ্ছে সেখান থেকে৷ তবে আমাদের প্রথম দিনে ইচ্ছা ছিল ২০ কিলোমিটারের মত হাঁটা৷ প্রথম দিনের গন্তব্য 'বড় ঢিল' (স্থানীয়রা বলে বড্ ডিল)৷ হাঁটা যখন শুরু করলাম তখন প্রায় বেলা দু'টা৷ |
||||||
| সর্বশেষ আপডেট ( Sunday, 25 February 2007 ) | ||||||
| < পূর্বে |
|---|