• Narrow screen resolution
  • Wide screen resolution
  • Auto width resolution
  • Increase font size
  • Decrease font size
  • Default font size
Member Area

নিসর্গ : বাংলার প্রকৃতি | Nishorga : Bangladesh Nature & Environment

Monday
Oct 06th
হোম arrow ভ্রমণ arrow বিবলিওথিকা আলেক্সান্ড্রিয়া
বিবলিওথিকা আলেক্সান্ড্রিয়া প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন Muntasir Mamun   
Tuesday, 26 December 2006
আর্টিকেল সূচি
বিবলিওথিকা আলেক্সান্ড্রিয়া
ফোর্টের পরিবেশ

আলেক্সজেন্ডার। দি গ্রেট। দুনিয়া জুড়ে কিছু মানুষের নাম যদি কখনও টিকে থাকে তাদের মধ্যে অবশ্যই অন্যতম একজন তিনি। উত্তর থেকে দক্ষিণ গোলার্ধ, পূর্ব থেকে পশ্চিম, তার পরিধি সমগ্র। আর তাই বিংশ শতাব্দীতে এসে তার দর্শন মেলার কোন সম্ভবনা না থাকলেও আলেক্সজেন্ড্রিয়া যাওয়া যায় হামেশাই। জগত বিখ্যাত এই বীরের নামে পরিচিত পৃথিবীতে সত্যিকারের ওয়াটার ফ্রন্ট সিটি বলে যদি কিছু থেকে থাকে তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান এটি। মেডিটেরীনিয়ান সমুদ্র তীরবর্তি শহরটি লম্বায় মাত্র ২০ কিমি আর প্রস্থে ৩ কিমি চেয়ে বেশি হবে না। তবুও মহাবীর আলেক্সজেন্ডার এর পত্তনকারী হওয়ার কারণেই পৃথিবীর অন্যতম পৌরানিক শহর এটি, যদিও বর্তমানে তার প্রমাণ পাওয়ার সম্ভবনা খুবই কম। রানী ক্লিয়পেটরা শাসিত এ শহরটি এখন পিজা হাট, কে এফ সি আর গিজ গিজ করা মানুষে আধুনিক। মিশরের রাজধানী কায়রো থেকে সরাসরি যাওয়া যাবে এখানে। বাস, ট্যাক্সি কিংবা ট্রেনে। আধুনিক ইউরোপিয়ান ধাঁচের ট্রেনেই ভিড় সবচেয়ে বেশি এবং এতে সময়ও লাগে অনেক কম। যাত্রা পথ ঘন্টা দুয়েকের। নীল নদের তীর ধরেই গড়ে উঠেছে সভ্যতা। রেলপথের সমান্তরালে চলে গেছে নীল এবং অপর পাড়ে পীচ ঢালা পথ। "মাছের ট্রেন স্টেশনের" টুরিস্ট অফিসারের কাছ থেকে জেনে নিলাম কোথায় কিভাবে যেতে হবে। 

Imageনিয়ে নিলাম ম্যাপ। ছোট শহর তাই চাইলেই হাঁটা পথে যাওয়া যায়। ইস্টার্ণ হারবারের ঠিক পাড়ে ছিল আমাদের চোদ্দতলা হোটেল। সাগর আর শহরকে উপর থেকে দেখার বাসনায় যতটা পারা যায় উপরের দিকের কামড়া নিলাম। পুরোনো হোটেল, তবে এক সময় শানশওকত ছিল বলে বোঝা যায়।

সামান্যই বিশ্রাম নিয়ে সোজা চলে এলাম বিখ্যাত আলেক্স লাইব্রেরি পাড় হয়ে আরও খানিকটা দূরে ইস্টার্ণ হারবারের একেবারে উত্তর-পূর্ব তীরে, "ফোর্ট কোটাবে"তে। দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকলার দারুন শোভামন্ডিত দালানটির আদর্শ ট্রয় টাউন আর্কিটেচার তবে এটার মুল আর্কষণ হলো ফারাও আমালের একটা লাইট হাউজ। ফারাও আমলে তৈরী হলেও মামলুকের সুলতান কোটেবের আদেশে নগরের হারবার পেনিনসু্লায় এই ফোর্ট এবং মসজিদ র্নিমাণ করা হয়েছিল। এবং উনিশ শতকে মোহামেদ আলী এই ফোর্টের শ্রী বৃদ্ধি করেছিলেন। বর্তমানে তিন তলার এই ফোর্টেও ভিতরে ছোট একটি ন্যাভাল মিউজিয়াম যেখানে অটোমান সাম্রাজ্যের কিছু অস্ত্র শস্ত্র এখনো দেখা যায়। মূল ফটকে প্রবেশের সময় বেশ লম্বা একটা পথ পাড় হতে হয় যা অনেক খানি আমাদের লালবাগ কেল্লার কথা মনে করিয়ে দিতে পারে। দুপাশে এক তলা ঘর সমেত দেয়াল এবং মাঝখানে মূল ফোর্ট বা দালান। রোমান স্থাপত্য কলার মত দেখতে ভীম দর্শন এই ফোর্টের ভিতরে আস্তাবল, যুদ্ধের সরঞ্জামাদি, ওয়াচ টাওয়ার বা পয়েন্ট সবই আছে। তবে দারুণ শিহরিত হতে হয় ভিতেরর কামরা গুলো দেখার পর। জানালা নাই বল্লোই চলে তবুও বাতাসের কোন অভাব নেই। উত্তর দিকে মেডিটেরেনিয়ান সী। ফোর্টের বাইরের দেয়ালে আছড়ে পরা ঢেউয়ের শব্ধ শুনতে পাওয়া যায় দূর থেকেই।



সর্বশেষ আপডেট ( Monday, 01 January 2007 )
 
< পূর্বে   পরে >