• Narrow screen resolution
  • Wide screen resolution
  • Auto width resolution
  • Increase font size
  • Decrease font size
  • Default font size
Member Area

নিসর্গ : বাংলার প্রকৃতি | Nishorga : Bangladesh Nature & Environment

Monday
Oct 06th
হোম arrow প্রকৃতি সংবাদ arrow সীতাকুন্ডে বিরল প্রাণি হগ বেজার উদ্ধার
সীতাকুন্ডে বিরল প্রাণি হগ বেজার উদ্ধার প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন Daily Nayadiganta   
Thursday, 21 December 2006

নয়াদিগন্ত, ডিসেম্বর ১৫, ২০০৬: আকৃতি ও আচার আচরণে অনেকটা বন্য শূকরের মতো হলেও সেটি আসলে বিরল প্রজাতির প্রাণী হগ বেজার (Hog Badger)। গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়ীয়া এলাকায় গ্রামের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে অদ্ভুত ধরনের শূকর সদৃশ্য হগ বেজারটিকে আক্রমণ করছিল। দৃশ্যটি দেখামাত্র দুই সচেতন নাগরিক স্থানীয় লোকজনকে প্রাণীটি হত্যা না করার জন্য অনুরোধ জানান এবং প্রাণীটিকে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করে চট্টগ্রামে নিয়ে আসেন। 

Image
Hog Badger in Chittagong- DailyNayadiganta.com
চট্টগ্রাম বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. তপন কুমার দে ও বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মোঃ মোখলেছুর রহমান খবর পেয়ে প্রাণীটিকে দেখতে যান। অদ্ভুত ধরনের প্রাণীটি বিরল প্রজাতির হগ বেজার বলে দুই বিশেষজ্ঞ শনাক্ত করেন। তাতক্ষণিকভাবে আহত প্রাণীটির সুচিকিৎসার জন্য ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের বন্যপ্রাণী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হগ বেজার কার্ণিভোরা গোত্রের মোস্টেলিডি পরিবারভুক্ত একটি বিরল প্রজাতির প্রাণী। এক সময় আমাদের দেশের বিভিন্ন শাল ও পাহাড়ি বনে এটি দেখা যেত। গত দুই দশক ধরে চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে কদাচিৎ এদের দেখা যায়। আইইউসিএন রেড ডাটা বুকের তালিকাতে এটি বাংলাদেশে মহাবিপদাপন্ন প্রাণী বলে চিহ্নিত করা হয়। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, বন উজাড়ের ফলে এবং এদের আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে প্রজাতিটি আমাদের দেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। গত এক দশকের তথ্যমতে জানা যায়, আমাদের দেশের কোথাও প্রাণীটির অস্তিত্ব ছিল না।


সূত্র জানায়, জনতার পিটুনি থেকে রেহাই পাওয়া হগ বেজারটির দেহ লম্বায় ৬০ সেন্টিমিটার লেজের দৈর্ঘ্য ১২ সেন্টিমিটার এবং ওজন ১৫ কেজি। বেজারের আকৃতি প্রকৃতি এবং আচার আচরণ অনেকটা বন্য শূকরের মতো। এরা ঘন বনে বাস করে এবং নিশাচর প্রাণী। এরা মাটি খুঁড়ে পচাবাসি আবর্জনা খেয়ে থাকে। এদের প্রধান খাদ্য বিভিন্ন গাছ-গাছড়ার নরম মূল, ফল, শস্যদানা ও শাকসবজি। এদের নাক ও মুখ লম্বাটে এবং নখ খুবই ধারালো। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, উদ্ধারকৃত বেজারটি সীতাকুণ্ডের পাহাড়ি এলাকার জঙ্গল থেকে খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে নেমে এসেছিল। এ ধরনের প্রাণীকে গণপিটুনির হাত থেকে উদ্ধার করে সংরক্ষণের উদ্যোগটি প্রশংসনীয় বলে বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

মন্তব্যগুলো (0)Add Comment

মন্তব্য লিখুন

security code
Write the displayed characters


busy
সর্বশেষ আপডেট ( Sunday, 25 February 2007 )
 
< পূর্বে   পরে >