শ্বেত বা অ্যালবিনো সরালী দেখা খুবই বিরল একটা ঘটনা। বাংলাদেশে শ্বেত সরালীকে এই প্রথম দেখা গেল। অনেকে শ্বেত কাক দেখেছেন বলে বলেন কিন্তু শ্বেত সরালীকে আমাদের দেশেই পাওয়া যাবে তা একদম অবাক করা ব্যাপার। অ্যালবিনো বা শ্বেত হল একটা রোগ। মানুষ বা অন্য কোন পশুর মধ্যে চোখে পড়ে। তাও আবার খুবই কম। পাখিতে একেবারেই কম। প্রতি বিশ লাখে একটা থাকতে পারে।
জীবজগতের একটা বিরাট অংশ গোটা পৃথিবী থেকেই খুব দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশের বিপন্ন পশু-পাখির মধ্যে শামুকখোল অন্যতম। শামুকখোলের মত বড় পাখিদের জন্য বেশী খাবার দরকার আর সেই সাথে বাসা বানাবার জন্য চাই বেশ পুরাতন লম্বা গাছ যা বড় পাখিদের কাছে বেশ দুর্লভ হয়ে পড়েছে। এক সময় বাংলাদেশের সব জায়গায় শামুকখোল দেখা যেতো।
গত ২৭-২৮ ডিসেম্বর কক্সবাজারে পরিচালিত হল দুইদিনব্যাপী জলচর পাখি শুমারি। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও মহেশখালীর সোনাদিয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত দুই দিনের এই শুমারিতে টেকনাফ অঞ্চলে ২৯ প্রজাতি ও সোনাদিয়ায় ৩৬ প্রজাতির জলচর পাখির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
দেশে প্রথম বারের মত কাঠের তৈরী নীড়ে ছানা ফুটিয়েছে বালি হাঁস। শ্রীমঙ্গলে হাইল হাওরে বুনো পাখির জন্যে নীড় গড়ে দেওয়া হয়েছে। আর সেই নীড়ে সুখের সংসার সাজিয়েছে "কটন পিগমীগুজ" বা "কটন টিল" নামের কয়েকজোড়া বালি হাঁস। শুধু সংসারই সাজায়নি। ডিম থেকে ছানাও ফুটিয়েছে। এটি দেশে একটি বিরল ঘটনা বলে জানিয়েছে মাচ প্রকল্প।
সাদা বাঘ। বিরল প্রজাতির বাঘ। দেশের অন্য কোনও স্থানে বা চিড়িয়াখানায় এ প্রজাতির সাদা বাঘ আছে কি না জানা নেই। তবে শ্রীমঙ্গল শহরের রামকৃষ্ণ মিশন রোডস্থ প্রাণী ও পরিবেশবিদ সিতেশ দেব’র মিনি চিড়িয়াখানায় বিরল এ সাদা বাঘটি আপনি দেখতে পাবেন। আজ থেকে প্রায় ২ বছর আগে ৬ মাস বয়সী এ সাদা বাঘটি শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে জেলেদের জালে ধরা পড়ে। সিতেশ দেব খবর পেয়ে সাদা বাঘটি সংগ্রহ করে তার মিনি চিড়িয়াখানায় নিয়ে আসেন।