| হিমালয়ের বরফ গলার কারণে বন্যার আশঙ্কা |
|
|
| লিখেছেন দৈনিক যায়যায়দিন | |
| Wednesday, 30 May 2007 | |
|
হিমালয়ের বরফ গলার কারণে বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা বাড়ছে দিন দিন। যেসব এলাকায় আগে কখনো বন্যা হয়নি সেসব এলাকায় ব্যাপকভাবে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। হতে পারে সামুদ্রিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস। আর ২০ বছর পর হিমালয়ের জমানো সব বরফ গলে শেষ হওয়ার পর ভয়াবহ ঝুকির মুখে পড়বে বাংলাদেশ। বরফ শেষ হওয়ার পর প্রথমে বন্যা এবং পরে ব্যাপক খরা দেখা দেবে। এ ভয়াবহ পরিস্থিতির সামনে দাড়িয়ে আমাদের আরো পরিবেশবান্ধব হতে হবে। হতে হবে আরো বেশি সচেতন। তা না হলে প্রকৃতি আমাদের ওপর নির্মম প্রতিশোধ নেবে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি অডিটরিয়ামে সিডিএমপি আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রমোটিং দি রোল অফ মিডিয়া ইন অ্যাড্রেসিং ক্লাইমেট রিস্ক ইন বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা আরো বলেন, ইওরোপের পর এশিয়া ও আফৃকার ঝুকি সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন জলবায়ু বিজ্ঞানীরা। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম, হিমালয়ের খুব কাছাকাছি অবস্থানই এর মূল কারণ। সিডিএমপি এবং খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় আয়োজিত সেমিনারের প্রধান অতিথি ইউএনডিপির ডেপুটি কান্টৃ ডিরেক্টর মি. লেরি ম্যারামিস বলেন, হিমালয়ের বরফ গলার কারণে বাংলাদেশের পরিবেশ ভয়াবহ ঝুকির মধ্যে। ক্লাইমেট পলিটিক্সের ভিকটিম হতে যাচ্ছি আমরা। মানুষকে পরিবেশ সচেতন করে তুলতে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সেমিনারে মাস লাইন মিডিয়া সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক কামরম্নল হাসান মঞ্জু বলেন, সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে জীবন রক্ষারর বিষয়টি সবাই জানতে পারবে। বিজ্ঞানী ড. আহসান উদ্দিন আহমেদ বলেন, পরিবেশ বিপর্যয়ের পরিণাম এবং পরিবেশ বাচাতে কি করা উচিত তা সংবাদপত্রে লিখে সবাইকে সচেতন করে তুলতে হবে। ঢাকা ইউনিভার্সিটির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রফেসর কে বি সাজ্জাদুর রশীদ বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে হবে। আমাদের পরিবেশ রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদেরই। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউদ্দিন। মন্তব্যগুলো (0)
![]() মন্তব্য লিখুন
|
|
| সর্বশেষ আপডেট ( Wednesday, 30 May 2007 ) |
| < পূর্বে | পরে > |
|---|