আইসল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় আগ্নেয়গিরিটির নতুন একটি জ্বালামুখ দিয়ে বুধবার লাভা বের হতে শুরু করেছে। আইসল্যান্ড বেতার এ তথ্য জানিয়েছে।
হিমবাহ আইয়াফিয়াল্লাজকুলের নিচের এ আগ্নেয়গিরিটিতে ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হলে ওই অঞ্চলের শ' শ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয় কর্তৃপক্ষ।
একইসঙ্গে ওই অঞ্চল দিয়ে চলাচলকারী বিমানগুলোর গতিপথও পরিবর্তন করা হয়।
আইসল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় বেতার জানায়, বুধবার আগ্নেয়গিরিটিতে নতুন করে প্রায় তিনশ' মিটার লম্বা একটি ফাটল দেখা দিয়েছে।
ভূতাত্বিকরা ধারণা করছেন, লাভা উত্তরের দিকে প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ জনপ্রিয় পর্যটন নগরী থর্সমর্কের দিকে ধেয়ে যেতে পারে।
রেইকজাভিকের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভিদির গার্দারসন মর্গোনব্লাদিদ সংবাদপত্রকে জানান, ফাটলটি এখনও বড় হচ্ছে।
তিনি বলেন, "কি হতে যাচ্ছে সে বিষয়টি দেখার সঙ্গে সঙ্গে আমরা এ অঞ্চলের লোকজনকে সরিয়ে নিতে চাইছি। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হতে থাকায় এ নিরাপত্তা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।"
যত মন্তব্য
রেইকজাভিক, মার্চ ২১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- আইসল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে শনিবার মধ্যরাত থেকে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছে। বাড়ি-ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে মানুষ।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ওই এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে। মানুষজনকে এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ফ্লাইটেরও গতিপথ পরিবর্তন করা হচ্ছে।
রোববার স্থানীয় কর্মকর্তারা একথা জানিয়েছে।
মধ্যরাতের একটু আগেই আইসল্যান্ডের পঞ্চম বৃহত্তম হিমবাহ আইয়াফিয়াল্লাজকুলের উপরিপৃষ্ঠে প্রথমে ধোঁয়া উদগীরণ শুরু হয় এবং বিভিন্ন ফাটল দিয়ে লাভা উদগীরণ হতে থাকে। বেড়ানোর জন্য আইসল্যান্ডবাসীর প্রিয় স্থান এটি।
পুলিশ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং উদ্ধারকারী দল পাঁচশ লোকবসতিপূর্ণ ওই এলাকায় উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। তবে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনায় কোনও হতাহতের ঘটনা বা ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি।
অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নিরাশ্রিত মানুষের জন্য পাশের গ্রামেই রেডক্রসের তিনটি সেবা শাখা খোলা হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ প্রধান কার্তান থ্রককেলসন বলেন, "মানুষ স্থানান্তরের কাজ ভালোভাবেই হয়েছে।" সেইসঙ্গে তিনি এও জানান, অগ্ন্যুৎপাতের ফলে মানুষের কোনও ক্ষতি হয়নি।
পুলিশ জানায়, এক কিলোমিটার উঁচুতে উঠে ছড়িয়ে পড়া লাভা নিচে ছড়িয়ে পড়লেও বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে লাভায় হিমবাহের প্রচুর বরফ গলে গেলে সেক্ষেত্রে বন্যা দেখা দিতে পারে।
তারা আরও জানায়, ছাই এবং ধোঁয়ার কারণে সৃষ্ট মেঘে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকায় আইসল্যান্ড থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোর গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে এবং কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
১৮২১ সাল থেকে সুপ্তাবস্থায় থাকা আইয়াফিয়াল্লাজকুল হিমবাহটিতে অগ্ন্যুৎপাতের আগে ভূ-কম্পন একটু বেড়ে যাওয়ার আলামত দেখা গেলেও রিখটার স্কেলে কম্পনের যে মাত্রা রেকর্ড করা হয় তাতে অগ্ন্যুৎপাতের যথেষ্ট পূবার্ভাস মেলেনি বলে জানিয়েছেন পর্যবেক্ষণকারী স্থানীয় বিজ্ঞানীরা।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএমএইচ
ব্রিটেন, এপ্রিল ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- আইসল্যাণ্ডে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ফলে সৃষ্ট ধোঁয়া ও ছাইয়ের জন্য উত্তর ইউরোপ উড্ডয়ন নিষিদ্ধ এলাকায় (নো ফ্লাই জোন) পরিণত হয়েছে।
ইউরোপীয় বিমান নিরাপত্তা সংস্থা জানায়, এ দুর্যোগ আরো দুইদিন স্থায়ী হতে পারে। প্রথম সারির একজন আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি অগ্নুৎপাত চলতেই থাকলে এর ছাই আগামী ছয় মাস এয়ার ট্রাফিকের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
প্যারিস, ব্রাসেলস, আমস্টারডাম ও জেনেভা বিমানবন্দর বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল করার কথা জানিয়েছে। এ সমস্যা ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত চলতে পারে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন ইউরোকন্ট্রোলের মুখপাত্র ব্রায়ান ফ্লাইন।
আইসল্যান্ডে ইজাফজাল্লাজকুল হিমবাহের নীচে এই আগ্নেয়গিরিতে বুধবার বিকালে অগ্নুৎপাত শুরু হয়। এক মাসের মধ্যে এই আগ্নেয়গিরিতে এটা দ্বিতীয় দফা অগ্নুৎপাত। এর ফলে আইসল্যাণ্ড থেকে ব্রিটেন পর্যন্ত কালো ধোঁয়ায় আকাশ ঢেকে যায়।
ব্রিটেনের হিথ্রো, গ্যাটউইক ও অন্যান্য বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ বিমানবন্দর বন্ধ থাকবে।
ব্রিস্টল, ইস্ট মিডল্যাণ্ড, কার্ডিফ ও ম্যানচেস্টারেও ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। তবে বিমানবন্দরগুলো খোলা রয়েছে।
স্কটল্যাণ্ডের সঙ্গে সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে এডিনবরা ও গ্লাসগো বিমানবন্দর। উত্তর আয়ারল্যাণ্ডের বেলফাস্ট ও নিউক্যাসল বিমানবন্দরও বন্ধ রয়েছে।
অগ্নুৎপাতের ফলে সৃষ্ট এই ধোঁয়ার মধ্যে উড্ডয়ন নিরাপদ নয় বলে জানিয়েছে ব্রিটেনের জাতীয় বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
ব্রিটেন, এপ্রিল ১৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- আগ্নেয়গিরি থেকে উদগীরণ হওয়া ধোঁয়া ও ছাই দিয়ে আকাশ ঢেকে যাওয়ায় শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত বিমানের বেশিরভাগ ফ্লাইট বাতিল করেছে ব্রিটেন।
আইসল্যান্ডের ইজাফজাল্লাজকুল আগ্নেয়গিরিতে ধোঁয়া ও ছাইয়ের উদগীরণ বেড়ে চলেছে।
ধোঁয়া ও ছাইয়ে আকাশ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় উত্তর ইউরোপ জুড়ে শুক্রবার তৃতীয় দিনের মতো বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
এই ছাইয়ে কাঁচ ও পাথরের কণা রয়েছে এবং তা বায়ুমণ্ডলের ৬ থেকে ১১ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। এই এলাকায় বিমান চলাচল করলে এসব কণা বিমানের ইঞ্জিনে ঢুকে গিয়ে তা বিকল করে দিতে পারে।
এজন্য উত্তর ইউরোপ উড্ডয়ন নিষিদ্ধ এলাকায় (নো ফ্লাই জোন) পরিণত হয়েছে। ইউরোপের সঙ্গে সব ফ্লাইট বাতিল করে দিয়েছে এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা।
ব্রাসেলস, অমস্টারডাম, প্যারিস এবং জেনেভাও তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে।
আইসল্যাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওফিজিসিস্ট পল ইনারসন জানিয়েছেন, সক্রিয় হওয়ার ৪০ ঘন্টা পরও আগ্নেয়গিরিটিতে উদগীরণ বেড়ে চলছে।
ইউরোপীয় বিমান নিরাপত্তা সংস্থা জানায়, এ দুর্যোগ আরো দুদিন স্থায়ী হতে পারে।
একজন আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞ বলেছেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে এর ছাই আগামী ছয় মাস পর্যন্ত বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
আইসল্যান্ডে ইজাফজাল্লাজকুল হিমবাহের নীচে এই আগ্নেয়গিরিতে বুধবার বিকালে উদগীরণ শুরু হয়। এর ফলে আইসল্যাণ্ড থেকে ব্রিটেন পর্যন্ত কালো ধোঁয়ায় আকাশ ঢেকে যায়।
এর আগে গত ২০ মার্চ আইসল্যাণ্ডের এই আগ্নেয়গিরিটি সক্রিয় হয়েছিল। তখন বায়ুমণ্ডলের ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে আগের তুলনায় ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী এবারের উদগীরণ।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
আইসল্যান্ড থেকে ধেয়ে আসা বিপুল ছাই-মেঘে ছেয়ে গেছে উত্তর ইউরোপের আকাশ। এতে ইউরোপের বিমান যোগাযোগ একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার ইউরোপজুড়ে বহু বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হয়ে গেছে হাজার হাজার ফ্লাইট। ফলে উত্তর আমেরিকা থেকে এশিয়া পর্যন্ত চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে লাখ লাখ বিমানযাত্রী। ২০০১ সালের ৯/১১-এর পর বিমান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার এটাই সবচেয়ে প্রলম্বিত ঘটনা।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, আইসল্যান্ডের দক্ষিণে এভেলেয়ভিক হিমবাহের নিচের আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্ট এই ছাই-মেঘ আরো অন্তত পাঁচ দিন স্থায়ী হতে পারে। অগ্ন্যুৎপাতের কারণে আড়াই শ মিটার পুরু হিমবাহ গলতে শুরু করেছে। ওই এলাকায় ভয়াবহ বন্যারও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ছাই-মেঘের কারণে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন বিমানবন্দরে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েছে। ইউরোপের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ গ্রুপ ইউরোকন্ট্রোল শুক্রবার জানায়, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত উত্তর ইউরোপে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা বিমান চলাচল বন্ধ থাকবে।
ইউরোকন্ট্রোলের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, শুধু গত বৃহস্পতিবারই ইউরোপজুড়ে পাঁচ-ছয় হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এক মাসের মধ্যে এভেলেয়ভিক হিমবাহের নিচের আগ্নেয়গিরির এটা দ্বিতীয় দফা অগ্ন্যুৎপাত। এর ধূসর-রঙা ছাই ২১০০ কিলোমিটার দূরের বিমানবন্দরগুলোকে অকার্যকর করে দিয়েছে। ফলে বিশ্বজুড়ে ইউরোপমুখী ফ্লাইটগুলো উড়তে পারছে না।
ইউরোকন্ট্রোলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপজুড়ে গতকালের নির্ধারিত ২৮ হাজার ফ্লাইটের মধ্যে ৬০ শতাংশ বাতিল হওয়ার কথা। অর্থাৎ, উত্তর ইউরোপে প্রায় ১৭ হাজার ফ্লাইট বাতিল হবে। ইউরোপের অন্যত্র কেবল ১১ হাজার ফ্লাইট চলাচল করতে পারবে।
ছাই-মেঘ বিমানের ইঞ্জিন জ্যাম করে দেয়। তা ছাড়া দৃষ্টিসীমাও কমিয়ে দেয়। এই ছাই-মেঘের কারণে ইতিমধ্যেই বেলজিয়াম, ব্রিটেন, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও সুইডেন বিমান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে। আজ শনিবার পর্যন্ত ব্রিটেনে সব বিমানের ওঠানামার ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। লন্ডনের হিথ্রো এবং গ্যাটউইকসহ অন্যান্য বিমানবন্দরের শত শত ফ্লাইট গত বৃহস্পতিবারই বাতিল করা হয়।
উত্তর আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে গতকাল অবশ্য সীমিতভাবে ফ্লাইট ওঠানামা করে। স্কটল্যান্ডের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, 'এই ছাই ভূমি পর্যন্ত পৌঁছলে তা চোখে চুলকানি বা গলাব্যথার মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবে জনস্বাস্থ্যের জন্য এটা বড় ধরনের কোনো হুমকি নয়।'
এ ছাড়া ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, পর্তুগাল ও স্পেনে বিমান যোগাযোগ তীব্রভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জার্মানির মোট ১৬টি বিমানবন্দরের মধ্যে ১২টি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দেশটির সবচেয়ে বড় ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরও রয়েছে। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের চার্লস দ্য গলসহ দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় ২৪টি বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার শেষদিকে এই মেঘ উত্তর পোল্যান্ডের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে নিহত পোলিশ প্রেসিডেন্ট লেখ্ কাতিনস্কির শেষকৃত্য অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রপতির দপ্তর। আগামীকাল রবিবার তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। গত সপ্তাহে এক বিমান দুর্ঘটনায় তিনিসহ ৮৮ জন নিহত হন। দেশটির উত্তরাঞ্চলের বিমানবন্দরগুলো ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং অন্যান্য বিশ্বনেতা এই অনুষ্ঠানে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য ছাই-মেঘের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন।
বেলজিয়াম ও নরওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের বিমানবন্দর শুক্রবার বন্ধ থাকবে। আগামী দুই দিনে এ ব্যাপারে তারা আশাপ্রদ কিছু জানাতে পারেনি। নেদারল্যান্ডসের রাজধানী আমস্টারডামের শিফল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আটকে পড়া বিমানযাত্রীদের জন্য বিছানা ও খাবারের ব্যবস্থা করেছে।
ব্রাসেলসসহ উত্তর ইউরোপজুড়ে বিমানবন্দরগুলোতে হাজার হাজার যাত্রী আটকে আছেন। তবে ধুলা উড়লেও আইসল্যান্ডের বিমানবন্দর খোলা রয়েছে। ইউরোপীয় বিমানবন্দরগুলোতে এই অচলাবস্থা এশিয়া ও আমেরিকা থেকে ইউরোপগামী ফ্লাইটগুলোকে স্থগিত রাখতে বাধ্য করছে।
ছাই-মেঘ, ধোঁয়া ভূমি থেকে ৮-১০ কিলোমিটার ওপরে ছড়িয়ে পড়লেও নিচ থেকে তা দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না।
সূত্র : কালের কণ্ঠ, এপ্রিল ১৭, ২০১০
agnayogiri(volcano)....aro kisu pics chai....
এই দুটো লিংক দেখতে পারেন
এক
দুই
one..onek thnx...
মন্তব্য করুন