এই ভোরে কী যে ঠাণ্ডা লাগে, হাড় পর্যন্ত জুড়িয়ে যায়। একটু পরই হাঁটুসমান কাদাপানিতে নামতে হবে ভেবেই কি তোমার উপর শীত আরো জেঁকে বসছে? ট্যুর কোম্পানির পাতলা চাদরটা অনেক আপন ভেবে আরেকটু জড়িয়ে নিলেও তরুণ ফটোগ্রাফারদের জ্বালায় একটু দেরি করে উঠবে সে উপায় তো নেই, দরজায় টোকা “বস্, ছয়টা বেজে গেছে”
উদ্ভিদগোষ্ঠীর বৈচিত্রতা নিয়ে মানব মনে প্রশ্ন অনেক। এর সঠিক সংখ্যা অনুসন্ধানের চেষ্টাও নতুন কিছু নয়। প্রাচীন ধারণার চেয়ে আধুনিক পর্যালোচনায় মানব মনের প্রশ্নের কিছুটা সমাধান হয়েছে। অধুনা পর্যালোচনায় বৈচিত্রময় উদ্ভিদগোষ্ঠীর সন্ধান পাওয়া গেছে, যা মাত্র এক তৃতীয়াংশ।
মেঘডম্বুর বা অজগর মাঝেমধ্যে গাছে জড়িয়ে থাকলেও প্রধানত মাটিতে বা জলার ধারে ঘাপটি মেরে থাকা প্রাণী। সাংবাদিক বন্ধু মোরশেদ আলী খান এ বছর জিউধারার কাছে একটি ছোট খালে এমনই এক অজগর দেখতে পান। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ প্রাণীটি জলার ধারে গা ডুবিয়ে গ্রামবাসীদের পোষা হাঁস ধরার চেষ্টায় ছিল।
যেকোনো ধরনের সাপ নজরে পড়লেই হলো, ধেয়ে যাবে। সুকৌশলে গাঁথবে নখরে, বসবে এসে গাছের ডালে। দুই পা ও ঠোঁট ব্যবহার করে মারবে শিকার। খাবে তারপর। অবশ্য খোলা জায়গা না হলে বিষধর সাপকে এরা ঘাঁটায় না পারতপক্ষে। কিন্তু খোলা জায়গা হলে আক্রমণে যাবেই। বিষধর সাপ কি আর হার মানে সহজে! কিন্তু এই পাখিও ওস্তাদ শিকারি।
ফ্লিকারের শ্যামলী নিসর্গ গ্রুপ থেকে বাছাই করা কিছু ছবি নিয়ে আজকের আয়োজন। আজকের ছবিগুলো নেয়া হয়েছে রাখাল ছেলে, তানভীর, মাজহারুল ইসলাম এবং মিশুর ফ্লিকার থেকে। ছবির উপর ক্লিক করে ফটোগ্রাফারদের স্ব-স্ব ফ্লিকার পাতায় যাওয়া যাবে।
গত সপ্তাহে ফ্লিকারে এসেছে চমৎকার কিছু ছবি। সেগুলো থেকে বাছাই করা দশটি ছবি আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। ছবিগুলো ফ্লিকারের শ্যামলী নিসর্গ থেকে নেয়া। ফ্লিকারে শ্যামলী নিসর্গে আপনার প্রকৃতি বিষয়ক ছবি যোগ করুন। সেখান থেকে বাছাই করা ছবি নিয়ে রিভিউ প্রকাশ করা হবে।